
K10 smart watch
৳ 1,299
K10 Smart Watch বর্তমান সময়ে বাজেট ফ্রেন্ডলি ঘড়িগুলোর মধ্যে বেশ জনপ্রিয়। এই ঘড়িটির প্রধান সুবিধাগুলো নিচে দেওয়া হলো:
ডিজাইন ও ডিসপ্লে
আকর্ষণীয় লুক: এটি দেখতে অনেকটা অ্যাপল ওয়াচের মতো প্রিমিয়াম ডিজাইন দেয়, যা পরলে বেশ স্টাইলিশ লাগে।
বড় ডিসপ্লে: এতে সাধারণত ১.৯ ইঞ্চির কাছাকাছি একটি বড় এবং পরিষ্কার ডিসপ্লে থাকে, যা ইনডোর এবং আউটডোরে সহজেই দেখা যায়।
স্মার্ট ফিচারসমূহ
ব্লুটুথ কলিং: এই ঘড়ির অন্যতম বড় সুবিধা হলো এতে বিল্ট-ইন স্পিকার ও মাইক্রোফোন আছে। ফলে ফোন পকেট থেকে না বের করেই সরাসরি ঘড়ি দিয়ে কথা বলা যায়।
সোশ্যাল মিডিয়া নোটিফিকেশন: ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ বা মেসেঞ্জারের মেসেজগুলো সরাসরি ঘড়ির স্ক্রিনে দেখা যায়।
মিউজিক কন্ট্রোল: ফোনের মিউজিক প্লে বা পজ করার সুবিধা এতে রয়েছে।
হেলথ ও ফিটনেস ট্র্যাকিং
হার্ট রেট মনিটর: আপনার হৃদস্পন্দন পরিমাপ করতে পারে।
স্লিপ ট্র্যাকিং: আপনি রাতে কেমন ঘুমাচ্ছেন তার একটি ধারণা পাওয়া যায়।
ব্লাড অক্সিজেন (SpO2): রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ চেক করার অপশন থাকে।
স্পোর্টস মোড: হাঁটা, দৌড়ানো বা সাইক্লিং করার সময় কত ক্যালোরি বার্ন হলো তা ট্র্যাক করা সম্ভব।
অন্যান্য সুবিধা
কাস্টম ওয়াচ ফেস: নিজের পছন্দমতো ফোনের ছবি বা অ্যাপ থেকে বিভিন্ন ডিজাইন ঘড়ির স্ক্রিনে সেট করা যায়।
ওয়াটার রেজিস্ট্যান্স: সাধারণত এটি ঘাম বা হালকা পানির ঝাপটা সহ্য করতে পারে (তবে এটি নিয়ে সাঁতার কাটা ঠিক হবে না)।
ব্যাটারি লাইফ: একবার ফুল চার্জ দিলে সাধারণ ব্যবহারে ১-২ দিন পর্যন্ত ব্যাকআপ পাওয়া যায়।
সতর্কতা: যেহেতু এটি একটি বাজেট স্মার্টওয়াচ, তাই এর হেলথ সেন্সরগুলোর ডাটা (যেমন হার্ট রেট বা অক্সিজেন) শতভাগ নির্ভুল নাও হতে পারে। চিকিৎসার প্রয়োজনে এগুলো ব্যবহার না করাই ভালো।
আপনি কি এই ঘড়িটির দাম বা এটি ফোনের সাথে কানেক্ট করার নিয়ম সম্পর্কে জানতে চান?